How to belong to oneself

How to belong to oneself
এটা মেয়েদের সবথেকে বেশি শেখা জরুরি।
জীবনের বড় একটা অংশ আমরা বাবা-মায়ের উপর ডিপেন্ড করি…এরপর ডিপেন্ড করি জীবনসঙ্গীর উপর। ফিন্যান্সিয়াল দিকের ব্যাপারে বলছিনা, বলছি ইমোশনাল রেস্পন্সিবিলিটির দিক থেকে। অনেক মেয়ে এখন জব করে, স্টুডেন্ট লাইফেও বাসা থেকে টাকা নেয়া বন্ধ করে দেয়। আদতে টাকা নিয়ে সমস্যাটা ফোকাস করছিনা… দিনশেষে মেয়েটা ইমোশনালি তার জন্য পরিবারের কাওকে এভেইলেবল চায়, যেটা বেশিরভাগ সময় পায় না।
রিসেন্টলি গুণী অভিনেত্রী দিলারা জামানের একটা সাক্ষাৎকার দেখলাম। উনি বলছিলেন… প্রিয় মানুষের উপর অভিমান করে না খেয়ে থাকার কথা। শেষে এটাও যোগ করলেন যে এগুলো নেহাৎ ছেলেমানুষী। পৃথিবীতে সব মানুষ এক না, সব পার্টনার এক না। আপনার এক্সপেক্টেশনের সাথে বাস্তব জীবনে পাওয়া মানুষটার পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। পেইজে আমরা কত আপুর মেসেজ পড়ি যেখানে হাজবেন্ড তার শখের খোঁজখবর রাখেনা। এখন কী বলব তাদের? ডিভোর্স দিয়ে দিতে বলব? না…এটা বলার রাইট আমাদের কারো নেই। যার যার জীবনের সিদ্ধান্ত তার তার নিতে হবে।
আমরা যতটুকু বলি সেটুকু হলো…ইমোশনালি অন্যের উপর ডিপেন্ড করা বন্ধ করুন। আপনার একটা ড্রেস ভালো লাগলে কে উপহার দিলোনা, কে মনের খবর রাখলোনা এসব নিয়ে যত ভাববেন ডিপ্রেশন বাড়বে। নিজের শখ, আহ্লাদ, প্রয়োজনের দায়িত্ব নিজে নিন।
অন্যের উপর যত এক্সপেক্টেশন কমাবেন ততই ভালো
Back to blog

Leave a comment